ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet মেসিই সর্বকালের সেরা প্লেয়ার, রোনাল্ডো Headline Bullet টঙ্গীতে হানিট্রাপে দুই যুবক Headline Bullet চুয়াডাঙ্গা দর্শনা থানা পুলিশ মাদক বিরোধী অভিযানে ৩০ (ত্রিশ) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার। গ্রেফতার ০১ জন। Headline Bullet গত ৬ মাসে ১৬৪ জন শিশু ধর্ষনের শিকার Headline Bullet স্ত্রীর মৃত্যুতে আত্মসমর্থন অভিনেতার Headline Bullet চট্টগ্রামের পটিয়ায় অপহরণের২৪ ঘন্টায় শিশুর লাশ উদ্ধার Headline Bullet কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন কার্যালয়ের নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠলে কাউকে ছার হবেনা Headline Bullet কুষ্টিয়ার মিরপুরের ছেলে ১ হাজার পিছ ইয়াবাসহ ফরিদপুরে আটক Headline Bullet কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আগমন নোংরা পরিবেশ দেখে ক্ষোভ Headline Bullet নিজের মেয়েকে ৫ মাস ধরে ধর্ষনের অভিযোগে বাবা গ্রেফতার

কুষ্টিয়ায় কথিত পীর নিহতের পড়ে আস্তানা ধংষস্তুপে পরিনত হয়েছে

Oplus_131072

শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের দারোগার মোড় এলাকায় ‘শামীম বাবার দরবার শরিফ’ নামে পরিচিত স্থাপনাটিতে হামলার ঘটনা ঘটে। পুরোনো একটি ভিডিও সামনে এনে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয় পীর শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীরকে (৬৫)। দরবারে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। পরে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস গিয়ে আগুন নেভায়।

নিহত শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীর ওই গ্রামের মৃত জেছের আলীর ছেলে। তিনি ওই দরবার শরিফের পীর ছিলেন। হামলার ঘটনায় তার আরও তিন অনুসারী জুবায়ের, মহন আলী ও জামিরুন নেছা আহত হয়েছেন। তারা স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে দরবারে গিয়ে দেখা যায়, দরবারের দুটি দালানের ভেতরে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়েছে। আগুনে পুড়ে গেছে দুটি ঘর। যার মধ্যে একটিতে পীর নিজে বসবাস করতেন। সকাল থেকেই বিভিন্ন বয়সী নারী, পুরুষ, শিশু দরবারের এসে ঘুরে ঘুরে দরবারের ধ্বংসস্তূপ দেখছেন। ঘটনার পর থেকে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ, বিজিবি, সেনাবাহিনী ও র‌্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সংসদ সদস্যও ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেছেন। সকালে খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ জয়নুদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, শামীম পবিত্র কুরআন সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন- এই ধরনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। যা ছিল কয়েক বছর আগের। গত শুক্রবার আবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

তারা বলেন, গতকাল সকালে শামীমের দরবার থেকে কিছু দূরেই আবেদের ঘাট এলাকায় ঘোষণা দিয়ে শতাধিক মানুষ জড়ো হয়। এরপর দুপুর আড়াইটার দিকে মিছিল নিয়ে স্লোগান দিতে দিতে ওই দরবারে হামলা চালায় ও আগুন ধরিয়ে দেয়। ঘটনার সময় পুলিশ উপস্থিতি ছিল।

নিহত পীর শামীমের বড় ভাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক ফজলুর রহমান বলেন, দুপুরে নামাজ শেষ করে বাড়িতে এসে খাচ্ছিলাম। এরপর মানুষের চিল্লাচিল্লির শব্দ শুনতে পাই। বাড়ির বাইরে বের হয়ে দেখি দরবারের সামনে মানুষ ব্যাপক ভাঙচুর চালাচ্ছে। এ সময় ভাইকে দোতলায় তার থাকার ঘর থেকে টেনে নিচে নামিয়ে এলোপাথাড়ি মারধর ও কোপাতে থাকে। পরে পুলিশের গাড়িতে করে ভাইকে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তৌহিদুল হাসান তুহিন জানান, শামীমের মুখমণ্ডলে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। শরীরের বিভিন্ন স্থানেও আঘাত করা হয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।


     এই বিভাগের আরো খবর